রায় দিয়ে বাবার ট্রাস্টে টাকা নেন এক বিচারপতি। গণমাধ্যমে আসা এমন রিপোর্ট নিয়ে দিনভর আলোচনা সুপ্রিম কোর্টে। একজন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন, অভিযোগ সত্যি হলে ওই বিচারপতির পদত্যাগ করা উচিত। এছাড়া ১৫ বছরে আচরণবিধি লঙ্ঘনকারী বিচারপতিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।
রায় দিয়ে বাবার ট্রাস্টে টাকা নেন এক বিচারপতি। গণমাধ্যমে আসা এমন রিপোর্ট নিয়ে দিনভর আলোচনা সুপ্রিম কোর্টে। একজন অতিরিক্ত অ্যার্টনি জেনারেল বলছেন, অভিযোগ সত্যি হলে ওই বিচারপতির পদত্যাগ করা উচিত। এছাড়া ১৫ বছরে আচরণবিধি লঙ্ঘনকারী বিচারপতিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থারও দাবি জানিয়েছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা।
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক রদবদল হয়। আন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেন প্রধান বিচারপতিসহ ৬ বিচারপতি। দায়িত্ব ছাড়েন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইনকর্মকর্তাও।
এরপর হাইকোর্ট বিভাগে দুই ডজনের বেশি বিচারপতির পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন আইনজীবীদের একটি অংশ। ২০ অক্টোবরের মধ্যে ব্যবস্থা না নিলে ওইসব বিচারপতিদের কোর্ট বর্জনেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আইনজীবীরা।
এরইমধ্যে রোববার (৬ অক্টোবর) একটি গণমাধ্যমের শিরোনাম, রায় দিয়ে বাবার ট্রাস্টে টাকা নেন বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকার ।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত অ্যাটার্নি জেনারেল অনিক আর হক বলেন, অভিযোগ সত্য হলে নিজে থেকেই পদত্যাগ করা উচিত ওই বিচারপতির।
এদিকে শনিবার প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকে অন্তত ৩০ জন বিচারপতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। ৩০ বিচারপতির নামের তালিকাও ঘুরছে হাতে হাতে।
বিএনপির আইন সম্পাদক কায়সার কামাল বলেন, ১৫ বছরে আচরণবিধি লঙ্ঘনে জড়িত বিচারপতিদের বিরুদ্ধে নিতে হবে যথাযথ ব্যবস্থা।
তবে ৫ বছর আগে দুর্নীতির অভিযোগে বিচারকাজ থেকে বিরত রাখা হয় হাইকোর্ট বিভাগের তিন বিচারপতিকে। তাদের বিষয়ে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।


















