এরিয়াকা বাইদুরি মালয়েশিয়ার একজন ইনফ্লুয়েন্সার। সম্প্রতি পুরো একটি সিনেমা হল ভাড়া করেছেন তিনি। মনে হতে পারে, হয়তো তিনি তাঁর কাছের মানুষদের নিয়ে কোনো সিনেমা উপভোগ করতে চেয়েছেন। কিন্তু তা নয়। ভিড় এড়াতে একার জন্যই এই কাণ্ড করেছেন তিনি।
দর্শকশূন্য হলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পোস্ট করেছেন এরিয়াকা নামের এই নারী। সেখানে তাঁকে চশমা পরে ও কুড়মুড় করে পপকর্ন খেতে খেতে সিনেমা শুরুর জন্য অপেক্ষা করতে দেখা যায়। খালি হলটির নাম কিংবা এটি কোথায় অবস্থিত, তা প্রকাশ করা হয়নি। বিউটি পারলারের মালিক এরিয়াকা ভিডিওর নিচে ক্যাপশন লিখেছেন, ‘আমরা অন্তর্মুখী! তাই সব আসন কিনে নিয়েছি।’
ভিডিওতে আরও দেখা যায়, হলে আসনের ১০টি সারি। প্রতি সারিতে ১৬টি আসন। ভিডিওটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা–সমালোচনা শুরু হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, তিনি সীমা ছাড়িয়ে গেছেন। তবে যাঁরা নিজেদের অন্তর্মুখী মনে করেন, তাঁদের কেউ কেউ বলেন, তিনি ভুল কিছু করেননি। আবার, কোনো কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী বলেন, তাঁর যে অনেক সম্পদ আছে, তা দেখালেন তিনি।
একজন লিখেছেন, ‘আমার যদি সামর্থ্য থাকত, আমিও এটা করতাম। মা–বাবার অলক্ষে বাচ্চাদের কিচিরমিচির বা দর্শকদের গুজুর গুজুর শুনতে হতো না।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘এটা হলো ‘‘আমি ধনী’’ তা বলার ভিন্ন এক কৌশল।’
পরে এরিয়াকা মালয়েশিয়ার গণমাধ্যম এমস্টারের সঙ্গে কথা বলেন। বলেন, এটা তিনি ‘মজার’ ছলেই করেছেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি মজা করে ভিডিও ক্যাপশন দিয়েছি। আচমকা দেখি, এটি ভাইরাল। তাই সেখানেই আমি ক্ষ্যান্ত দিয়েছি।
নেটিজেনরা যা খুশি বলতে পারেন, যেমন আমি মানুষকে দেখাতে এটা করেছি, আমি দাম্ভিক, নিজেকে একজন অন্তর্মুখী বলে দাবি করছি। তাদের কথায় আমি কিছু মনে করি না। মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনদের পাল্টাপাল্টি লড়াই দেখতে বেশ মজাই লাগছে। তাই সেগুলো চলুক। বিষয়টা বেশ মজার।’
দ্য স্ট্রেইট টাইমসের তথ্য অনুযায়ী, সিনেমার প্রতিটি টিকিটের দাম ১১ থেকে ৩৫ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত যা বাংলাদেশি ২৫৯ থেকে ৮২৪ টাকা ।সে হিসাবে এরিয়াকা বাইদুরির পুরো হল ভাড়া করতে টিকিটের খরচ হয়ে থাকতে পারে ১ হাজার ৭৬০ থেকে ৫ হাজার ৬০০ রিঙ্গিত।
প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।





















