দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) একটি টিম গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বাংলাদেশ রোড অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট সিকিউরিটির (বিআরটিএ) কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির নিবন্ধীকরণ (রেজিস্ট্রেশন) সেবা চাইতে গিয়েছিল। কিন্তু সেখানে গিয়ে তারা এমন একটি পরিস্থিতির সম্মুখীন হন যা তাদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দেয়।
সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বিআরটিএর পূর্বাচল কার্যালয়ে ঘটেছে এই ঘটনা। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) আকতারুল ইসলাম এ অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। দুদকের প্রধান কার্যালয় হিসেবে পরিচিত ঢাকার সেগুবাগিচা শাখার একটি টিম অভিযানটি পরিচালনা করেছে।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, পূর্বাচল (ঢাকা মেট্রো- ৪) কার্যালয়ে ড্রাইভিং লাইসেন্স ও গাড়ির রেজিস্ট্রেশন প্রত্যাশীদের নিকট হতে সরকার নির্ধারিত ফি এর অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
গ্রাহকের ছদ্মবেশে পূর্বাচল সেবাপ্রত্যাশী কয়েক জন ব্যক্তির সাথে কথা বললে দুইজন সেবাপ্রার্থী জানান তাদের কাছ থেকে হোন্ডা ১৬০ সিসির মোটর সাইকেলের রেজিস্ট্রেশন ফি বাবদ সরকার নির্ধারিত ফি ২০ হাজার ৯৬৪ টাকার পরিবর্তে ২৮ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করেছে একজন দালাল।
এই অভিযোগ শোনার পর ওই দালালের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান,অফিসের উচ্চমান সহকারীর সাথে যোগাযোগ করলে বাকী কাজ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে উক্ত অফিসের সহকারী পরিচালকসহ অন্যান্য কর্মচারীর বক্তব্য গ্রহণ করা হয়।
দুদক টিমের অভিযানে বেরিয়ে এলো বিআরটিএর দালালদের সাথে অফিস কর্মচারীদের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ। অভিযানকালে সেবাপ্রার্থী দুইজনের রেজিস্ট্রেশনের জন্য জমাকৃত কাগজপত্রের ছায়ালিপি ও সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র সংগ্রহ করা হয়। এ বিষয়ে পরবর্তীতে কমিশনের প্রতিবেদন দাখিলসহ আইনী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
প্রবাস টাইমে লিখুন আপনিও। প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির নানা আয়োজন, ঘটনা-দুর্ঘটনা, প্রবাসীদের সুযোগ-সুবিধা, সমস্যা-সম্ভাবনা, সাফল্য, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের খবর, ছবি ও ভিডিও আমাদের পাঠাতে পারেন news@probashtime.com মেইলে।


















